মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কি?
লেখা মোছাঃ
***********View মেনু**********
§ বুলেট লিষ্ট ২. নাম্বারিং লিষ্ট
উত্তরঃ এম.এস.ওয়ার্ড একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
প্রশ্ন ২ – এম.এস.ওয়ার্ডের ফাইল ফরমেট সাধারনত কি হয়?
উত্তরঃ এম.এস.ওয়ার্ডের ফাইল ফরমেট সাধারনত .doc হয় তবে অফিস ২০০৭ এর ক্ষেত্রে .docx ফরমেট হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ৩ – এম.এস ওয়ার্ড স্টাট মেনু থেকে হারিয়ে গেলে কিভাবে আবার স্টার্ট মেনুতে আনতে হবে?
উত্তরঃ Start => Settings => Taskbar and Start Menu => CStart Menu => Customize => Add => Browse => C:\Program Files\Microsoft Office\Office10\WINWORD.exe => Next => Next => Type Microsoft Word => Finish.
প্রশ্ন ৪ – এম.এস.ওয়ার্ডে টেক্সট বাউন্ডারি কিভাবে সেট করতে হয়?
উত্তরঃ Tools => Option => Select Text boundary check box => Ok.
প্রশ্ন ৫ – এম.এস. ওয়ার্ডে ফাইল পার্সওয়ার্ড কিভাবে দিতে হয়?
উত্তরঃ File => Save As => Select Tools from save window => Go to general options => type password in password to open box => Click Ok.
মাইক্রোসফট
ওয়ার্ড হল একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়ার। এর সাহায্যে চিঠিপত্র টাইপ করা
ছাড়াও প্রিন্ট দেওয়া, ছোটখাট ডিজাইন করা, বই তৈরি করাসহ বিভিন্ন কাজ করা
হয়। অত্যন্ত সহজ এই প্রোগ্রামটি সারা বিশ্বে প্রচলিত আছে। এটির ইন্টারফেস
খুবই সহজ হওয়ার কারনে সামান্য কম্পিউটার জানা কোন ব্যক্তি তার প্রয়োজন
মাফিক কম্পিউটারে লেখালিখির কাজ সম্পাদন করতে পারেন।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সাহায্যে আপনি যা যা করতে পারবেন:
@
চিঠিপত্র টাইপ করা, প্রিন্ট করা। @ দ্রুততম সময়ে একাধিক চিঠি ই-মেইল করা
(মেইল মার্জ)। @ স্বল্প আকারে ডিজাইন করা। @ টেবিল এবং ডায়াগ্রামের
সাহায্যে তথ্য প্রদর্শন করা। @ ব্যক্তিগত নোট তৈরি করা।
কার্সর ও মাউস পয়েন্টারঃ
মাউস
নাড়ালে যে তীর চিহ্নিত আইকনটি নাড়াচাড়া করে সেটিকে বলে কার্সর। আর কোন
স্থানে একটি দাগ জ্বলে এবং নিভে সেটিকে বলে কার্সর। কার্সর থাকলে সেখানে
টাইপ করা যায়।
লেখার মাঝে টাইপ করাঃ
লেখার
মাঝে টাইপ করতে চাইলে সেখানে প্রথমে কার্সর নিতে হবে। কার্সর নেওয়ার
অনেকগুলো পদ্ধতি আছে। এটা কিবোর্ড বা মাউস দিয়ে করা যায়। আপনি যেখানে
কার্সর নিতে চান সেখানে মাউস দিয়ে লেফট ক্লিক করলে সেখানে কার্সর চলে যাবে।
কিবোর্ড দিয়ে কার্সর কোন স্থানে নিতে হলে কিবোর্ডের অ্যারো কি গুলো
ব্যবহার করা হয়।
কার্সর নেওয়ার স্থান
|
কমান্ড
|
| এক অক্ষর বামে | Left Arrow |
| এক অক্ষর ডানে | Right Arrow |
| এক লাইন উপরে | Up Arrow |
| এক লাইন নিচে | Down Arrow |
| এক শব্দ বামে | Ctrl + Left Arrow |
| এক শব্দ ডানে | Ctrl + Right Arrow |
| লাইনের শুরুতে | Home Key |
| লাইনের শেষে | End Key |
ডকুমেন্টে লেখা মোছার জন্য দুইটি পদ্ধতি রয়েছেঃ Backspace Key: কিবোর্ডের Backspace Key চাপলে কার্সরের বামদিকে থেকে লেখা মুছে যাবে। Delete Key: কিবোর্ডের Delete Key চাপলে কার্সরের ডানদিক থেকে লেখা মুছে যাবে।
ফাইল মেন্যু (File Menu)
মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডের প্রথম মেন্যুটি হল ফাইল (File) মেন্যু। এই মেন্যুর সাহায্যে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে করা কোন কাজ সংরক্ষণ (সেভ) করা, নতুন ফাইল তৈরি করা,
পূর্বের সেভ করা ফাইল ওপেন করা, ডকুমেন্টের পেজের সাইজ, মার্জিন নির্ধারণ
করা, প্রিন্ট করা ইত্যাদি করা হয়ে থাকে। আমরা পর্যায়ক্রমে এই মেন্যুর সাব
মেন্যুগুলোর কাজ দেখব।
New (Ctrl+N) এই
সাবমেন্যুর সাহায্যে ডকুমেন্টে নতুন কোন পেজ তৈরি করা হয়। কাজ করতে করতে
নতুন ফাইলের দরকার হলে ফাইল মেন্যুতে ক্লিক করে New এ ক্লিক করতে হবে।
তারপর ডানপাশের উইজেট থেকে Blank Documents এ ক্লিক করতে হবে।
Open (Ctrl+O) পূর্বের
সেভ করা কোন ফাইলকে পর্দায় আনতে এই সাবমেন্যুটি ব্যবহার করতে হয়।
এক্ষেত্রে প্রথমে File থেকে Open এ ক্লিক করলে একটি উইন্ডো আসবে। এখানে
থেকে আপনার ফাইলটির লোকেশনে গিয়ে ফাইলটির উপর ক্লিক করতে হবে। তারপর
উইন্ডোটির Open এ ক্লিক করতে হবে।
Close (Ctrl+W) কাজ
করতে করতে যদি বর্তমান ফাইলটি বন্ধ করার প্রয়োজন হয় তাহলে এই সাবমেন্যুর
সাহায্যে তা করা হয়। এক্ষেত্রে File এ ক্লিক করে Close এ ক্লিক করতে হবে।
ডকুমেন্টটি সেভ না থাকলে সেভ করতে চান কিনা তার একটি চেক বক্স আসবে। এখানে
সেভ করতে চাইলে Yes সেভ না করতে চাইলে No চাপুন।
Save (Ctrl+S) কাজ
করার পর সেই ডকুমেন্টটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে হয়। কোন ফাইলকে সেভ করার
জন্য এই সাবমেন্যুটি ব্যবহার হয়। কোন ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে হলে File এ
ক্লিক করতে হবে তারপর Save এ ক্লিক করতে হবে। এরপর একটি উইন্ডো আসবে এখানে
প্রথমে ফাইলটি কোথায় সেভ হবে তা দেখিয়ে দিন। বাম থেকে আপনার কাংখিত স্থান
চিহ্নিত করতে পারেন। সাধারণত আমরা My Documents এ ফাইল সেভ করি। এরপর File
Name এ ফাইলটির একটি নাম টাইপ করুন। তারপর সবশেষে Save এ ক্লিক করুন।
Save As (F12) সেভ
করা ফাইলটি অন্য আরেকটি নামে সেভ করার জন্য এই সাবমেন্যু ব্যবহার হয়। আমরা
কোন ফাইল নিয়ে কাজ করলে তার একটি প্রতিলিপি করে কাজ করি। এতে মূল ফাইলটি
অক্ষত থাকে। এই পক্রিয়াটি সেভ করার মতই। শুধুমাত্র এতে ফাইলটির আরেকটি কপি
তৈরি হয়।
Page Setup কোন ডকুমেন্টে লেখা শুরু করলে প্রথমেই পেজ সেটআপ করে নিতে হয়। এখানে থেকে আমরা তিন ধরনের কাজ করে থাকি।
১। মার্জিন: ডকুমেন্টের চারপাশে থাকা ফাকা জায়গাকে বলে মার্জিন। ২। ওরিয়েন্টেশন: ডকুমেন্টটি আড়াআড়ি কিংবা লম্বালম্বি হবে তা নির্ধারণ। ৩। পেপার সাইজ: কোন সাইজে ডকুমেন্টটি প্রিন্ট হবে তা নির্ধারণ।
এই কাজগুলোর জন্য প্রথমে File থেকে Page Setup এ যেতে হবে। তারপর প্রথমের Margins ট্যাবের Top, Bottom, Left, Right ইঞ্চিতে ফাকা জায়গার পরিমাণ টাইপ করতে হবে।
Orientation
এ পেজটি আড়াআড়ি কিংবা লম্বালম্বি হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। এখানে
Portrait (পোর্টরেইট) অর্থ হলো পেজটি লম্বালম্বি হবে এবং Landscape
(ল্যান্ডস্কেইপ) অর্থ হলো পেজটি আড়াআড়ি হবে।
Paper সেকশনে গিয়ে পেজের সাইট নির্ধারণ করতে হবে। কম্পিউটারে প্রধাণত দুই ধরণের পেপার প্রিন্ট করা হয়। একটি হল A4 এবং অন্যটি Legal। এখানে আপনার কাংখিত পেজটি সিলেক্ট করে দিতে হবে।
Print Preview (Ctrl+F2) ডকুমেন্টে কোন কিছু লিখলে তা প্রিন্টে কেমন আসবে দেখার জন্য এই সাব মেন্যুটি ব্যবহার হয়। এজন্য File এ ক্লিক করে Print Preview এ ক্লিক করতে হবে। এই অবস্থায় দেখা যায় কোন লেখা প্রিন্টে আসছে কিনা, লেখার সাইজ কতটুকু ইত্যাদি। এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য Close এ ক্লিক করুন অথবা কিবোর্ডের ESC চাপতে হবে।
Print (Ctrl+P) কাজ
শেষে ডকুমেন্টের লেখা প্রিন্ট করতে হলে এই সাব মেন্যুর ব্যবহার হয়। তবে
খেয়াল রাখতে হবে প্রিন্ট দিতে হলে কম্পিউটারে অবশ্যই প্রিন্টার ইনস্টল
থাকতে হবে এবং কম্পিউটারের সাথে ডাটাকেবল দিয়ে প্রিন্টারটি সংযুক্ত থাকতে
হবে। প্রিন্টারটি এরপর অন করুন। এরপর File থেকে Print এ ক্লিক করুন। একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এখানে থেকে উপরে Printer Name থেকে যে প্রিন্টারে প্রিন্ট করবেন তা সিলেক্ট করুন। তারপর Page Range থেকে All নির্বাচন করুন যদি ডকুমেন্টের সব পেজ প্রিন্ট করতে চান, অথবা Current Page নির্বাচন করুন। যদি যে পেজে কার্সর আসে সে পেজ প্রিন্ট করতে চান। তারপর সবশেষে OK তে ক্লিক করলে প্রিন্ট শুরু হবে।
Exit (Alt+F4) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে যেতে হলে এই সাবমেন্যুটি ব্যবহার হয়। উপরের লাল রঙের ক্রস থেকেও বের হওয়া যায়। File থেকে Exit এ ক্লিক। ডকুমেন্ট টি সেভ না থাকলে একটি উইন্ডো আসবে। এখানে সেভ করতে চাইলে Yes এবং সেভ না করতে চাইলে No এ ক্লিক করুন।
******এডিট মেন্যু Edit Menu*****
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের দ্বিতীয় মেন্যুটি হল Edit Menu। এই মেন্যুটি দিয়ে ডকুমেন্টের বিভিন্ন সম্পাদনার কাজে ব্যবহার হয়। যেমনঃ আনডু, রিডু, কপি, পেস্ট, খোঁজা, রিপ্লেস ইত্যাদি।
Undo (Ctrl+Z) ভুলবশত
কোন কাজ যদি ভুল হয়ে যায় তাহলে পূর্বের অবস্থায় ফেরৎ যাওয়ার জন্য এই সাব
মেন্যুটি ব্যবহার হয়। এজন্য Edit থেকে Undo তে ক্লিক করতে হবে। কিবোর্ডে
Ctrl+Z দিয়ে দ্রুত করা হয়।
Redo (Ctrl+Y) আপনি
যদি ভুলবশত অনেকবার আনডু করেন তাহলে আপনাকে আবার বর্তমানে আসতে হবে। এই
পদ্ধতির নাম Redo। এজন্য Edit থেকে Redo তে ক্লিক করতে হবে।
Cut & Paste (Ctrl+X & Ctrl+V) ডকুমেন্টের
একস্থান থেকে লেখা অন্যস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই সাবমেন্যুদুটির
ব্যবহার। এটি দুই ধাপে কাজ করে থাকে। প্রথম ধাপে আপনি যেই লেখা একস্থান
থেকে অন্যস্থানে নিয়ে যাবেন সেই অংশটুকুকে প্রথমে ব্লক করে নিন। তারপর Edit
থেকে Cut এ ক্লিক করুন। তাহলে লেখাটি ওখান থেকে কেটে গিয়ে ক্লিপবোর্ডে
মেমোরিতে জমা হবে। এরপর যেখানে লেখাটি যেখানে নিতে চান সেখানে কার্সর নিয়ে
যান। তারপর আবার Edit থেকে Paste এ ক্লিক করুন। তাহলে লেখাটি সেখানে চলে
যাবে।
Copy & Paste (Ctrl+C & Ctrl+V) একস্থান
থেকে অন্যস্থানে লেখা নিবেন কিন্তু লেখাটি দুই স্থানেই থেকে যাবে এমনটি
করতে হলে এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। এক্ষেত্রে পদ্ধতিটি আগের মতই।
শুধুমাত্র Cut এর স্থলে Copy করতে হবে। তাহলে লেখাটি পূর্বের স্থানেও থাকবে
এবং বর্তমান স্থানেও চলে আসবে।
Select All (Ctrl+A) কোন
কারনে ডকুমেন্টের সবগুলো লেখা বা ছবি সিলেক্ট করতে হলে এই সাবমেন্যুর
সাহায্য নিতে হয়। এজন্য ডকুমেন্টের যে কোন স্থান থেকে Edit এ ক্লিক তারপর
Select All এ ক্লিক।
Find (Ctrl+F) ডকুমেন্টের
মধ্যে কোন লেখা খুজে পেতে হলে এই সাব মেন্যু ব্যবহার করতে হয়। এজন্য
প্রথমে Edit থেকে Find এ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি উইন্ডো আসবে। এখানকার
Find What বক্সে আপনি যা খুজতে চাইছেন তা লিখে Find Next এ ক্লিক করতে হবে।
আপনার কাংখিত শব্দটি যদি ডকুমেন্টে থাকে তাহলে সেটি হাইলাইট করে দেখাবে।
আপনি যদি আরও খুজতে চান তাহলে একইভাবে Find What এ লিখে Find Next এ ক্লিক
করুন।
Replace (Ctrl+H) ডকুমেন্টের
একাধিক জায়গায় অবস্থিত কোন শব্দকে অন্য কোন শব্দ দ্বারা প্রতিস্থাপন করার
জন্য এই সাবমেন্যুটি কাজে লাগে। ধরুন কোন ডকুমেন্টে ১০০+ জায়গায় Dhaka লেখা
আছে। এখন আপনি এর সবগুলোকে পরির্বন করে Khulna লিখতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে
এই সাবমেন্যুর সাহায্যে করতে হবে। এজন্য প্রথমে Edit থেকে Replace এ ক্লিক
করতে হবে। এরপর এখানে Find What বক্সে যেটি পরিবর্তন করবেন সেটি লিখতে হবে
এবং Replace With বক্সে পরিবর্তন হয়ে যা হবে তা লিখতে হবে। তারপর Replace এ
ক্লিক করলে একটি শব্দ পরিবর্তন হবে। Replace All এ ক্লিক করলে ডকুমেন্টের
সব শব্দগুলো পরিবর্তন হয়ে যাবে।
Goto (Ctrl+G) মাউস
বা কিবোর্ডের সাহায্যে আমরা ডকুমেন্টের একস্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে
পারি। কিন্তু যদি ১০০ পেজ বিশিষ্ট একটি ডকুমেন্টের ১৫ নং লাইনে কার্সর নিতে
হলে তা বেশ সময় সাপেক্ষ হবে। কিন্তু Goto মেন্যুর সাহায্যে সহজেই সেখানে
যাওয়া যাবে। এজন্য প্রথমে Edit এ ক্লিক তারপর Goto এ ক্লিক করতে হবে। তারপর
Goto What বক্সে Page সিলেক্ট করে পেজটির নম্বর দিন। তারপর অবার বাম থেকে
Line Number সিলেক্ট করে লাইন নম্বর দিয়ে Goto এ ক্লিক করুন। তাহলে কার্সর
সেইল লাইনে চলে যাবে। এরপর Close এ ক্লিক করে Goto উইন্ডো থেকে বের হয়ে
আসুন।
***********View মেনু**********
Toolbar’S——-
টুলবার এর সাথে আমরা আগেই পরিচিত হয়েছি। টুলবারে মেনুতে অবস্থিত
কমান্ডসমূহের শর্টকার্ট বিদ্যমান। অর্থাৎ মেনুতে বারবার গিয়ে কমান্ড দেয়ার
বদলে সরাসরি টুলবার এর আইকসমূহে ক্লিক করেই কাজ করা যায়। ওয়ার্ডে মেনুবার
এর পরেই যে দুটি টুলবার তাকে তার একটি Standard ও অপরটি Formatting।
অন্যান্য টুলবারগুলি চালু চালু করতে চাইলে View মেনু থেকে Toolbars এ গিয়ে
টুলবার এর নামের উপর ক্লিক করতে হবে। তাহলে সেটি পর্দায় দৃশ্যমান হবে। যদি
এটিকে বাদ দিতে চাই তবে একইভাবে মেনুতে গিয়ে ঐ টুলবারের নামের উপর পুনরায়
ক্লিক করতে হবে।
Ruler
স্ক্রিনের দু’পার্শ্বে স্কেলের মত যে দুটি বার থাকে তাকে রুলার বলে। এটির
সাহায্যে মার্জিন, ট্যাব পজিশন,ত ইনডেন্টিং পজিশন ইত্যাদি ঠিক করা যায়। এটি
সাধারনত দৃশ্যমান থাকে। যদি কোন কারণে না দেখা যায় তাহলে ভিউ মেনুতে গিয়ে
Ruler অপশনের উপর ক্লিক করলেই দেখা যাবে। এটি বাদ দেয়ার কমান্ড ও একই।
Full Screen—–
ডকুমেন্টকে পুরো পর্দা জুড়ে দেখানোর জন্য এটি কাজে লাগে। এজন্য ভিউ মেনুতে
ক্লিক করে Full Screen ক্লিক করুন। ডকুমেন্ট দেখা শেষ হলে Close Full
Screen বাটনে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন। ফুল স্ক্রিন মোডে টুলবার, মেনুবার,
রুলার, ষ্ট্যাটাসবার সমূহ অর্দশ্যমান থাকে।
Zoom—–
জুম কমান্ডের সাহায্যে ডকুমেন্টকে বিভিন্নভাবে ছোট বড় করে দেখা যায়। তবে এ
কমান্ডের সাহায্যে ছোট-বড় করা হলেও তা শুধু মাত্র স্কিুনেই প্রদর্শন করার
জন্য কাজে লাগে। প্রিন্টিং এর সময় ডকুমেন্ট ছোট-বড় হয় না বরং ১০০ ভিউতেই
প্রিন্ট হয়। এজন্য প্রথমে ভিউ মেনু থাকে Zoom এ ক্লিক করুন। তারপর
প্রয়োজনমত ১০০%/৭৫%/৫০% এ ক্লিক করি অথবা Percent ঘরের সামনে নির্দিষ্ট
পার্সেন্ট কমিয়ে/ বাড়িয়ে নিতে পারি। যদি পুরো একটি পেজ বিভিন্ন দৃশ্যমান
করতে চাই তাহলে Width/Text width/whole page /এর যে কোন একটি সিলেক্ট করি।
আর যদি একাধিক পেজ এক স্ক্রিনে দেকতে চাই তাহলে Many Pages বাটনে ক্লিক করে
প্রয়োজনমত পেজ সিলেক্ট করি যেমনঃ ১,২,৩ ইত্যাদি। তারপর ঘত বাটনে ক্লিক করে
বের হয়ে আসি। ইনসার্ট মেনুর সাহায্যে পেজ ব্রেক, সেকশন ব্রেক, পেজ
নাম্বারিং, বিভিন্ন ধরনের প্রতীক (Symbol) টাইপ করা, অটো টেক্সট সংযোজন
করা, গাণিতিক ইকুয়েশন/ফরমুলা লেখা ইত্যাদি কাজ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ
এম.এস.ওয়ার্ডে ভিন্ন কোন স্থান থেকে কিছু সংযোজিত করার জন্য এ মেনু ব্যবহার
করা হয়্ এ মেনু তাই বাইরের কোন প্রোগ্রামের সাথে এম.এস. ওয়ার্ডের লিংক
হিসেবে কাজ করে থাকে।
***ইনসার্ট মেন্যু Insert Menu***
Page Numbers আমরা ইনসার্ট মেনু থেকে পেজ নাম্বারিং করতে পারি। এজন্য ইনসার্ট মেনু থেকে Page Numbers এ ক্লিক করি। এবার Postion থেকে Bottom of page (Footer)/Top of page (Header) সিলেক্ট করি। তারপর Alignment থেকে এটি ডানে (Right) থাকবে না বাঁয়ে (Left) থাকবে তা সিলেক্ট করি। যদি প্রথম পেজেও নম্বর দিতে চাই তাহলে Format এ ক্লিক করি। যদি পেজ নাম্বারিং ফরম্যাট করতে চাই অর্থাৎ লেখার ষ্টাইল ঠিক করতে চাই তাহলে Format বাটনে ক্লিক করে তা নির্ধারণ করে দেই। সবশেষে Ok ক্লিক করি।
Date and Time চিঠিপত্রে
তারিখ ও সময় উল্লেখ করার প্রয়োজন হয়। আমরা এ কামান্ডের সাহায্যে তারিখ ও
সময় ডকুমেন্টে প্রদান করতে পারি। এজন্য প্রথমে কার্সর নির্দিষ্ট স্থানে
রাখি। তারপর ইনসার্ট মেনু থেকে Date and Time এ ক্লিক করি। এখানে Available formats
থেকে পছন্দের ফরম্যাটের উপর ক্লিক করি। যদি তারিখ ও সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে
আপডেট করার প্রয়োজন হয় তাহলে Update automatically চেক বক্সে ক্লিক করি।
Symbol কি-বোর্ডে যে সব অক্ষর বা প্রতীক থাকে না সেগুলি ডকুমেন্টে আনতে লিকতে হয় এ কমান্ডের সাহায্যে। এজন্য প্রথমে ইনসার্ট মেনু থকে Symbol এ ক্লিক করুন। পচন্দের সিম্বলটি সিলেক্ট করে Insert click করি। ক্লিক Close ।
File
কম্পিউটারে সংরক্ষিত অন্য কোন ফাইলের লেখা ডকুমেন্টে যোগ করার জন্য এ
কমান্ডটি কাজে লাগে। এজন্য ইনসার্ট মেনু থেকে File এ ক্লিক করুন। তারপর
ফাইলের নামের উপর ক্লিক করুন। সবার শেষে Insert এ ক্লিক করে উক্ত ফাইলের
লেখা ডকুমেন্টে সংযুক্ত হবে।
*********Format Manu *********
ফরম্যাট
মেনুর সাহায্যে ফন্ট ইফেক্ট এ্যাডজাষ্ট, প্যারাগ্রাফ ফরমাটিং, বুলেট এন্ড
নাম্বারিং, বর্ডার, পেজ বর্ডার, কলাম তৈরী, ট্যাব সেটিং ইত্যাদি ঠিক করা
হয়। একটি ডকুমেন্টকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপনে ফরম্যাট মেনুর গুরুত্ব
অপরিসীম। তাই এ মেনুর প্রতিটি অপশন কুব সতর্কতার সাথে শিখে রাখা প্রয়োজন
যাতে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগানো যায়। ডকুমেন্টে আমরা যে ষ্টাইল এর অক্ষর
দিয়ে ললীখ তাকে ফন্ট বলা হয়। যেমনঃ Times New Roman, Arial, Centurey
Gothic, Tahom ইত্যাদি।আবার বাংলা ফন্ট দিয়ে বাংলা লিখতে পারি। যেমন বাংলা
একটি ফন্ট এর নাম SutonnyMJ ।প্রত্যেকটি ফন্টের ষ্টাইল একেক রকম। ডকুমেন্টে
একাধিক ষ্টাইলের ফন্ট ব্যবহার করে আরো সুন্দর ও পরিচ্ছন্নভাবে উপস্থাপন
করা যায়। ফন্টের ষ্টাইল পরিবর্তনের জন্য প্রথমে Format মেনু থেকে Font এ
ক্লিক করি।
এখানে
প্রথম বক্সে ফন্ট ষ্টাইল (Arial, Tahoma, Times New Roman) আর বাংলার
জন্য (SutonnyMJ) ঠিক করতে হবে, Font Style বক্সে ফন্টের ধরণ (Regular,
Italic, Bold) ঠিক করতে হবে। Size বক্স থেকে ফন্টের সাইজ ঠিক করে দিতে হবে।
Font
Color বক্স থেকে ফন্টের রং ঠিক করতে হবে। Underline style বক্সে ক্লিক করে
লেখার নিচে কি ধরনের আন্ডারলাইন দিবেন তা ঠিক করে দিন। Underline Color
বক্স থেকে আন্ডার লাইনের দিবেন তা ঠিক করে দিন। Underline Color বক্স তেকে
আন্ডার লাইনের কালার ঠিক করে দেয়া যায়।
Paragraph
ডকুমেন্টে
প্রতিবার একটি এন্টর কি চাপলে একটি নতুন প্যারাগ্রাফ তৈরী হয়। প্যারাগ্রাফ
একটি ডকুমেন্ট তৈরীর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর
সাহায্যেই লেখাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে, গুছিয়ে উপস্থাপন করা হয়। ডকুমেন্টে
প্যারাগ্রাফ স্পেসিং এবং লাইন স্পেসিং থাকে। একটি প্যারাগ্রাফের সাথে
আরেকটি প্যারাগ্রাফের যে দুরূত্ব তাকে প্যারাগ্রাফ স্পেসিং এবং একটি লাইনের
সাথে আরেকটি লাইনের দূরতকে লাইন স্পেসিং বলে। এগুলির প্রত্যেকটিই কমানো
বাড়ানো যায়।প্যারাগ্রাফ ফরম্যাটিং এর জন্য প্রথমে Formt Menu থেকে
Paragraphএ ক্লিক করি। এবার প্রথমে Alignment থেকে প্যারাগ্রাফটির
Left/Right/Justified ঠিক করি। তাহলে লেখাগুলি ডান/বাম/উভয় পার্শ্ব বরাবর
সাজিয়ে নেবে।
Indentation
অপশন থেকে **** বক্স থেকে বাম পাশের মার্জিন থেকে প্যারাগ্রাফটি কতটা
দূরত্বে অবস্তান করবে তা সেট করি। After Text বক্স থেকে ডান পাশের মার্জিন
থেকে কতটা দূরত্বে অবস্থান করবে তা নির্ধারণ করি। যদি মার্জিন এর ভিতরে
কোন প্যারাগ্রাফ দিতে চাই তবে এ দু’টি বক্সে মাইনাস/ঋনাত্মক মান সেট করি।
তাহলে লেখা মার্জিনের ভিতর থেকে শুরু হবে।Indentation এর মধ্যে Special
বক্সে দু’টি বিশেষ ধরনের ইনডেনটেশান রয়েছে। একটি First line ও অপর Hanging।
প্রথমটি প্যারাগ্রাফ এর প্রথম লাইন ইনডেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকী সব
লাইন স্বাভাবিক থাকবে। এর বিপরীতটি হচ্ছে Hanging ইনডেন্ট। নাম্বারিং এর
ক্সেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।উপরে এতক্ষন যে ইনডেন্টিং আলোচনা করা হলো তা
আমরা রুলার এর সাহায্যেও সেট করতে পারি। উপরে ছবিতে রুলারের যে অংশটুকু
গোলচিহ্নিত করা আছে তার বাম পাশে First Line/Hanging/Left ইনডেন্ট বাট আছে
এবং ডান পাশে Right ইনডেন্ট বাটন আছে। এটি মাউস পয়েন্টার দিয়ে নাড়াচাড়া
করার মাধ্যমেও আমরা সেট করতে পারি।
এ
ডায়ালগ বক্সের শেষ অপশন Spacing নিয়ে এখন আলোচনা করব। আগেই প্যারাগ্রাফ
স্পেসিং এবং লাইন স্পেসিং নিয়ে বলেছি। এখন আমরা এটি কিভাবে বাড়াতে/কমাতো
পারি তা দেখব। স্পেসিং এরিয়াতে Before এবং After বক্স দুটি ক্লিক করে
বাড়িয়ে/কমিয়ে Preview তে দেখুন। Line Spacing বক্সটি প্রতিটি লাইনের মাঝে
দূরত্ব কমাতে/বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। এটিও বাড়িয়ে কমিয়ে দেখুন প্রিভিউ
উইন্ডোতে। লাইন স্পেসিং কাষ্টমাইজ করতে হলে এর নিচে Multiple সিলেক্ট করে
সামনের বক্সে নিদিষ্ট মান যেমন ১.৫, ১.৩৫ ইত্যাদি দিতে হবে। সবশেষে Ok
ক্লিক করে বের হয়ে আসি।
Bullets and Numbing: ডকুমেন্টকে
সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য বুলেট ও নাম্বারিং ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কোন
লেখাকে সিরিয়াল অনুযায়ী তালিকা তৈরীতে ও এটি কাজে লাগে। বুলেট এর ক্ষেত্রে
চিত্রের সাহায্যে তালিকা বা লিষ্টকে উপস্থাপন করা হয় এবং নাম্বারিঙ এর
ক্ষেত্রে ক্রমিক নম্বর দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। বুলেট ও নাম্বারিয়া দেয়ার
জন্য প্রথমে লেখাগুলিকে সিলেক্ট করি। তারপর Format মেনু থেকে Bullets and
Bumbering ক্লিক করি। Bulleted Tab থেকে বুলেট এর ষ্টাইল পছন্দ করি। এবং Ok
বাটনে ক্লিক করি। যদি নাম্বারিং দিয়ে তালিকা করতে চাই তাহলে Bumbered Tab
থেকে যেকোন একটি ষ্টাইল পছন্দ করে Ok বাটনে ক্লিক করি।
§ বুলেট লিষ্ট ১. নাম্বারিং লিষ্ট§ বুলেট লিষ্ট ২. নাম্বারিং লিষ্ট
Border And Shading:কোন
লেখায় বর্ডার দেয়ার জন্য প্রথমে উক্ত লেখাটি সিলেক্ট করি। তারপর ফরম্যাট
মেনু থেকে Border and Shading এ ক্লিক করি। এবার Border Tab এর ভিতর Box এ
ক্লিক করি। এবার Style বক্স থেকে বর্ডার এর ষ্টাইর, Color বক্স থেকে কালার
এবং WIdth থেকে বর্ডার রেখা কতটা মোটা হবে তা সিলেক্ট করি। সবেশেষে Ok
ক্লিক করলে বর্ডার সংযোজিত হবে।
এখন
যদি সম্পূর্ণ পেজে বর্ডার দিতে চাই তাহলে একই ভাবো ফরম্যাট মেনটু থেকে
Border and Shading এ ক্লিক করি। এবার Page Border Tab এর ভিতর Box এ
ক্লিক করি। যদি সাধারণ রেখার সাহায্যে বর্ডার দিতে চাই তাহলে Style বক্স
থেকে বর্ডার এর ষ্টাইল Color বক্স থেকে কলার Width থেকে বর্ডার রেখা কতটা
মোটা হবে তা সিলেক্ট করি। সবেশেষ Ok বাটনে ক্লিক করলে বর্ডার সংযোজিত হবে।
আর
যদি কিছুটা ভিন্ন ষ্টাইলের বর্ডার দিতে চান তাহলে Art বক্সে ক্লিক করে যে
ষ্টাইল চান তা সিলেক্ট করুন। Options বাটনে ক্লিক করে পেজ বর্ডার
মার্জিন/লেখা থেকে কতটা দূরত্বে অবস্থান করবে তা সিলেক্ট করুন। এখানে
বর্ডারকে সুন্দরভাবে স্থানান্তর করার জন্য Measure Form বক্স থেকে Text
সিলেক্ট করতে পারেন। তারপর Ok করে বের হয়ে আসুন। সবশেষে Print Preview
(Ctrl + F2) থেকে পেজ বর্ডার দেখে নিন।
Columns
সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিনে একটি পৃষ্ঠাতে লেখাকে যেমন ২/৩/৪ কলাম আকারে
পরিবেশন করা হয় ঠিক তেমনি আমরাও মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে লেখাকে কলাম আকারে
সাজাতে পারি। এজন্য প্রথমে কোন লেখাকে সিলেক্ট করে নিন। তারপর ফরম্যাট মেনু
থেকে Columns এ ক্লিক করুন। তারপর Presents সেকশন থেকে কলাম সংখ্যা (২/৩)
কতটি হবে তা সিলেক্ট করি অথবা Number of Columns বক্সে তা লিখে দেই।Ok
বাটনে ক্লিক করি।
Text Direction এ
কমান্ডের সাহায্যে কোন টেক্সটকে আড়াআড়ি, খাড়া/লম্বালম্বি সাজানো যায়।
এজন্য কোন টেক্সট সিলেক্ট করে ফরম্যাট মেুন থেকে Text Direction এ ক্লিক
করুন। তারপর Orientation থেকে যে ষ্টাইল (Horizontal/vertical) পছন্দ
হয় তাতে ক্লিক করুন। Apply to বক্স থেকে ডকুমেন্টের কতটুকু অংশে কমান্ড
কার্যকরী হবে তা দিয়ে দিন। সবশেষে Ok বাটনে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
Change Case (Shift+F3) কোন
ডকুমেন্টের লেখাকে বড় হাতের ছোট হাতের বা অন্য কোন ষ্টাইলে রূপান্তরিত
করতে এ কমান্ডটি ব্যভহার করা হয়। এজন্য প্রথমে লেখাটি সিলেক্ট করুন। তারপর
Format মেনু থেকে Change Case এ ক্লিক করুন। এখানে Lower case/Upper
case/Title Case/Sentence case/Toggle Case এর মধ্যে যেটি প্রয়োজন তাতে
ক্লিক করুন। সবশেষে Ok বাটন ক্লিক করুন।
*****টুলস্ মেন্যু Tools Menu****
Spelling and grammar (F7) মাইক্রোসফট
ওয়ার্ড বানান ও ও ব্যাকরণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেখার সময়ই পরীক্ষা করে দেখতে
থাকে। যদি কোন ভুল পায় তাহলে সাথে সাথে তার নিচে একটি ঢেউ চিহ্নিত রেখা
দেখা যায়। বানান ভুল হলে লাল রংয়ের চিহ্ন এবং ব্যাকরণ ভুল হলে সবুজ রংয়ের
চিহ্ন তাকে। যদি পুরো ডকুমেন্টের বানান ও ব্যাকরণ একসাথে পরীক্ষা করতে চান
তাহলে টুলস মেনু থেকে Spelling and Grammar এ ক্লিক
করুন। এখানে উপরের বক্সে সম্ভাব্য ভুল ও নিচে তার সংশোধনের সাজেশন দেখাবে।
যদি সাজেশন অনুযায়ী পরবর্তন করতে চান তাহলে Change বাটনে ক্লিক করুন। আর
পরিবর্তন না চাইলে Lgnore Once বাটনে ক্লিক করুন। বর্তমান বাক্যে চেক না
করে পরবর্তী বাক্যে চলে যাওয়ার জন্য Next Sentence এ ক্লিক করুন। যে
পরিবর্তন এই মাত্র করেছেন তা না চাইলে Undo বাটনে ক্লিক করুন। সবশেষে
Cancel বাটনে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
Language ডকুমেন্টে
কোন ভাষায় লেখা হচ্ছে তা সাধারণতঃ স্বয়ংক্রিবাবে নির্ধারিত হয়ে যায়।
কিন্তু যদি কোন নির্দিষ্ট অংশের লেখার ভাষা আলাদাভাবে নির্ধারিত করে দেয়ার
প্রয়োজন পড়ে তাহলে এ কমান্ডের সাহায্য নেয়া যায়। এজন্য উক্ত লেখাটুকু
সিলেক্ট করে Tolls মেনুর Language সাব মেনু থেকে Set Language এ ক্লিক করি। এবার বক্স থেকে নির্দিষ্ট ভাষা নির্বাচন করে Ok তে ক্লিক করি।
Word Count ডকুমেন্টের
বিভিন্ন পরিসংখ্যানগত বিষয় যেমনঃ পাতা সংখ্যা, শব্দ সংখ্যা, অক্ষর সংখ্যা
প্যারাগ্রাফ সংখ্যা, লাইন সংখ্যা ইত্যাদি এ কমান্ডের মাধ্যমে দেখা যায়।
এজন্য প্রথমে লিখা সিলেক্ট করি। তারপর টুলস মেনু থেকে Word Count এ ক্লিক করুন। ডায়ালগ বক্স থেকে যাবতীয় পরিসংখ্যান দেখুন।
*********Table মেনু*********
টেবিল
মেনুটি এম.এস.ওয়াডের একটি গুরুত্বপূর্ন মেনু। ডকুমেন্টে কোন বিষয়বস্ত্ত
লিষ্ট/তালিকা রো-কলামের সাহায্যে প্রদর্শনের জন্য এ মেনুটি ব্যবহৃত হয়ে
থাকে। এছাড়াও বায়োডাটা, পূরণযোগ্য ফরম, কোন ডকুমেন্টের টেমপ্লেট ইত্যাদি
তৈরীতে ও এ মেনুটি কাজে লাগে।
Insert——–
এটি টুলবারে ও ৮ম আইকন হিসাবে আছে। কোন নতুন টেবিল অংকনের জন্য এ
কমান্ডটি দিতে হবে। এজন্য টুলবার থেকে এ আইকনে ক্লিক করে Insert Table এ
ক্লিক করুন অথবা টেবিল মেনুর Insert অপশন থেকে Table এ ক্লিক করুন। এখানে
Number of columns বক্যে্র কলাম সংখ্যা এবং Number of Rows বক্যে্র রো
সংখ্যা উল্লেখ করে দিন। AutoFit behavior সেকশনে কলামের প্রস্থ কেমন হবে তা
নির্ধারণ করে দিন। সবশেষে Ok বাটনে ক্লিক করুন । তাহলে নতুন টেবিল
ডকুমেন্টে যুক্ত হবে।টেবিল নতুন রো যুক্ত করতে চাইলে টেবিলের শেষ সেল এ
কার্সর রেখে ট্যাব চাপতে হবে। তাহলে নতুন একটি করে Row যুক্ত হবে। মেনু
থেকে রো/কলাম/সেল যুক্ত করতে চাইলে টুল্স মেনুর Insert অপশন থেকে Columns
to the Left/Columns to the Right/Rows Above/Rows Below/Cells ইত্যাদি
ক্লিক করি। তাহলে নতুন রো/কলাম/সেল যুক্ত হবে।
Delete——-
টেবিলের রো/কলাম/সেল ইত্যাদি মুছতে চাইলে এ কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়।
এজন্য যে রো/কলাম মুছতে চান সেখানে কার্সর রাখুন। এবার Table মেনুর Delete
অপশন থেকে Table/Columns/Rows/Cells এর যেটি প্রয়োজন সেটিতে ক্লিক করুন।
তাহলে উক্ত টেবিল/রো/কলাম/সেল মুছে যাবে।
Merge Cells——
টেবিলের কয়েকটি সেলকে একটি সেলে রুপান্তরিত করার জন্য এ কমান্ডটি দেয়া হয়।
এ জন্য উক্ত সেলসমূহ প্রথমে সিলেক্ট করে নিন। তারপর Table মেনু থেকে Merge
Cell এ ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত সেল গুলি একটি সেলে পরিনত হবে।
Split Cells——
একটি সেলকে একাধিক সেলে বিভক্ত করার জন্য এ কমান্ড কাজে লাগে। এজন্য
প্রথমে উক্ত সেলে কার্সর রেখে Table মেনু থেকে Split Cells কমান্ড দিন।
তারপর উক্ত সেলকে যে কয়ভাগে বিভক্ত করতে চান তার সংখ্যা নিচের চিত্রের মত
Number of columns এবং Number of rows এ উল্লেখ করে দিন। সবশেষে Ok বাটনে
ক্লিক করুন।
AutoFit——
টেবিলের আকৃতি যদি মার্জিন এর অবস্থান থেকে ও বড় হয়ে যায় তাহলে এ
কমান্ডের সাহায্যে তা ঠিক করা যায়। এছাড়াও টেবিলের কিছু পূর্ব নির্ধারিত
আকৃতি ঠিক করার কমান্ড ও এখানে দেয়া যায়। এজন্য উক্ত টেবিলের যে কোন জায়গায়
কার্সর রাখুন। তারপর AutoFit to Contents/AutoFit to Window/ Fixed Column
Width/Distribute Rows Evenly/ Distribute Column Evenly এর যেটি প্রয়োজন
সেটিতে ক্লিক করুন।
**উইন্ডো মেনু (Window Menu)**
এ
মেনুর সাহায্যে স্ক্রিন সম্পর্কিত কাজ করা যায়। যেমনঃ স্ক্রিন বিভক্ত করা,
নতুন উইন্ডো খোলা, বর্তমানে ওপেনকৃত ডকুমেন্ট গুলিকে এক স্ক্রিনে নিয়ে আশা
ইত্যাদি।
হেল্প মেনু (Help Menu)
মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডের জন্য একটি শক্তিশালী ম্যানুয়াল এর সাথেই ইন্টিগ্রেটেড অবস্থায়
আছে। এটিকে ব্যবহার করে ওয়ার্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় জানা যায়। এজন্য
F1 চেপে অথবা হেল্প মেনু থেকে Microsoft Word Help এ ক্লিক করে ও ম্যানুয়াল
দেখা যায়। হেল্প স্ক্রিন আসার পর তিনটি ট্যাব দেখা যায়। যথাঃ Contents,
Answer Wizard এবং Index। প্রথম ট্যাবে সকল বিষয়বস্ত্ত একটি হায়ারার্কি
অনুযায়ী বইয়ের আইকন দিয়ে সাজানো থাকে। এখানে ক্লিক করেও বিভিন্ন অপশনের
ম্যানুয়াল দেখা যাবে। আর দ্রুত খোজার জন্য Answer Wizard ট্যাবে টপিকের
শিরোনাম লিখে Search বাটনে ক্লিক করুন। যে বিষয়গুলি দেখা যাবে সেখান থেকে
সিলেক্ট করুন নির্দিষ্ট বিষয়টি। এছাড়া সর্বশেষ ট্যাব Index এ সকল বিষয়
ইনডেক্স আকারে সাজানো থাকে। প্রথম দু/একটি অক্ষর লিখলেই উক্ত বিষয়টি
স্ক্রিনে দেখা যাবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন পরীক্ষা প্রস্তুতি
প্রশ্ন ১ – এম এস ওয়ার্ড কোন ধরনের সফটওয়্যার?উত্তরঃ এম.এস.ওয়ার্ড একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
প্রশ্ন ২ – এম.এস.ওয়ার্ডের ফাইল ফরমেট সাধারনত কি হয়?
উত্তরঃ এম.এস.ওয়ার্ডের ফাইল ফরমেট সাধারনত .doc হয় তবে অফিস ২০০৭ এর ক্ষেত্রে .docx ফরমেট হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ৩ – এম.এস ওয়ার্ড স্টাট মেনু থেকে হারিয়ে গেলে কিভাবে আবার স্টার্ট মেনুতে আনতে হবে?
উত্তরঃ Start => Settings => Taskbar and Start Menu => CStart Menu => Customize => Add => Browse => C:\Program Files\Microsoft Office\Office10\WINWORD.exe => Next => Next => Type Microsoft Word => Finish.
প্রশ্ন ৪ – এম.এস.ওয়ার্ডে টেক্সট বাউন্ডারি কিভাবে সেট করতে হয়?
উত্তরঃ Tools => Option => Select Text boundary check box => Ok.
প্রশ্ন ৫ – এম.এস. ওয়ার্ডে ফাইল পার্সওয়ার্ড কিভাবে দিতে হয়?
উত্তরঃ File => Save As => Select Tools from save window => Go to general options => type password in password to open box => Click Ok.